নোয়াখালীতে চলমান বন্যায় ৮৫,৩৭৯টি মৎস্য খামারের মাছ ভেসে গেছে। এতে প্রায় ৫৭৬ কোটি ৫০ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে এবং হাজার হাজার মৎস্যচাষী ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন বলে জানিয়েছে জেলা মৎস্য অধিদপ্তর সূত্র।
বন্যায় ভেসে গেল ৫৭৬ কোটি টাকার মাছ!
- by নিজস্ব প্রতিবেদক
নোয়াখালীতে চলমান বন্যায় ৮৫,৩৭৯টি মৎস্য খামারের মাছ ভেসে গেছে। এতে প্রায় ৫৭৬ কোটি ৫০ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে এবং হাজার হাজার মৎস্যচাষী ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন বলে জানিয়েছে জেলা মৎস্য অধিদপ্তর সূত্র।
ছবি - সংগৃহীত
বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত উপজেলাগুলো হলো নোয়াখালী সদর, বেগমগঞ্জ, কবিরহাট, কোম্পানীগঞ্জ, সুবর্ণচর, চাটখিল এবং সোনাইমুড়ী। তবে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন বেগমগঞ্জ এবং কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার মৎস্যচাষীরা।
মৎস্য অধিদপ্তরের কর্মকর্তা এবং মৎস্যচাষীরা জানিয়েছেন, দেশের কমপক্ষে ১১টি জেলায় বন্যা পরিস্থিতির কারণে মৎস্য চাষের ক্ষেত্রে ক্ষয়ক্ষতি আরও বাড়তে পারে।
বন্যায় ভেসে গেল ৫৭৬ কোটি টাকার মাছ!
- by নিজস্ব প্রতিবেদক
নোয়াখালীতে চলমান বন্যায় ৮৫,৩৭৯টি মৎস্য খামারের মাছ ভেসে গেছে। এতে প্রায় ৫৭৬ কোটি ৫০ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে এবং হাজার হাজার মৎস্যচাষী ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন বলে জানিয়েছে জেলা মৎস্য অধিদপ্তর সূত্র।
ছবি - সংগৃহীত
বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত উপজেলাগুলো হলো নোয়াখালী সদর, বেগমগঞ্জ, কবিরহাট, কোম্পানীগঞ্জ, সুবর্ণচর, চাটখিল এবং সোনাইমুড়ী। তবে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন বেগমগঞ্জ এবং কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার মৎস্যচাষীরা।
মৎস্য অধিদপ্তরের কর্মকর্তা এবং মৎস্যচাষীরা জানিয়েছেন, দেশের কমপক্ষে ১১টি জেলায় বন্যা পরিস্থিতির কারণে মৎস্য চাষের ক্ষেত্রে ক্ষয়ক্ষতি আরও বাড়তে পারে।
নোয়াখালী সদর উপজেলার কাদিরহানিফ ইউনিয়নের দরবেশপুর গ্রামের রহিমা আক্তার বেবী (৪৫) এবং তার স্বামী মো. সেলিম গত ১৬ বছর ধরে মৎস্য চাষ করে আসছেন।
তিন থেকে চার একর জমির ওপর ১০টি পুকুর এবং চারটি ডোবায় মাছ চাষ করেন এই দম্পতি। চলতি মৌসুমে মৎস্য চাষের জন্য তারা জনতা ব্যাংক এবং বিভিন্ন বেসরকারি সংস্থা থেকে ৩০ লাখ টাকা ঋণ নিয়েছিলেন।
"আমরা এ মৌসুমে প্রায় এক কোটি টাকার মাছ বিক্রির আশা করেছিলাম। কিন্তু বন্যার পানিতে সব ভেসে গেছে," বলেন রহিমা।
বন্যায় ভেসে গেল ৫৭৬ কোটি টাকার মাছ!
- by নিজস্ব প্রতিবেদক
নোয়াখালীতে চলমান বন্যায় ৮৫,৩৭৯টি মৎস্য খামারের মাছ ভেসে গেছে। এতে প্রায় ৫৭৬ কোটি ৫০ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে এবং হাজার হাজার মৎস্যচাষী ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন বলে জানিয়েছে জেলা মৎস্য অধিদপ্তর সূত্র।
ছবি - সংগৃহীত
বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত উপজেলাগুলো হলো নোয়াখালী সদর, বেগমগঞ্জ, কবিরহাট, কোম্পানীগঞ্জ, সুবর্ণচর, চাটখিল এবং সোনাইমুড়ী। তবে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন বেগমগঞ্জ এবং কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার মৎস্যচাষীরা।
মৎস্য অধিদপ্তরের কর্মকর্তা এবং মৎস্যচাষীরা জানিয়েছেন, দেশের কমপক্ষে ১১টি জেলায় বন্যা পরিস্থিতির কারণে মৎস্য চাষের ক্ষেত্রে ক্ষয়ক্ষতি আরও বাড়তে পারে।
নোয়াখালী সদর উপজেলার কাদিরহানিফ ইউনিয়নের দরবেশপুর গ্রামের রহিমা আক্তার বেবী (৪৫) এবং তার স্বামী মো. সেলিম গত ১৬ বছর ধরে মৎস্য চাষ করে আসছেন।
তিন থেকে চার একর জমির ওপর ১০টি পুকুর এবং চারটি ডোবায় মাছ চাষ করেন এই দম্পতি। চলতি মৌসুমে মৎস্য চাষের জন্য তারা জনতা ব্যাংক এবং বিভিন্ন বেসরকারি সংস্থা থেকে ৩০ লাখ টাকা ঋণ নিয়েছিলেন।
"আমরা এ মৌসুমে প্রায় এক কোটি টাকার মাছ বিক্রির আশা করেছিলাম। কিন্তু বন্যার পানিতে সব ভেসে গেছে," বলেন রহিমা।
বেগমগঞ্জ উপজেলার হাজীপুর ইউনিয়নের বাসিন্দা মো. মাচুদুল হক চৌধুরী ৬০ একর জমিতে একটি মৎস্য খামার এবং হ্যাচারি তৈরি করেছেন। তার খামারে ৫০ জন লোক কাজ করেন।
"এ বছর বন্যার কারণে আমার প্রায় ৭ কোটি টাকার ক্ষতি হয়েছে," তিনি বলেন।
সুবর্ণচর উপজেলার চর নংলা গ্রামের আরেক মৎস্যচাষী সিফাতুল ইসলাম দুই বছর আগে চার একর জমিতে একটি খামার স্থাপন করেছিলেন। ঢাকার তেজগাঁও কলেজ থেকে স্নাতক ডিগ্রি অর্জনের পর চাকরির পেছনে না ছুটে তিনি স্বাবলম্বী হতে চেয়েছিলেন।
"চলতি বছরের ডিসেম্বরে মাছ বিক্রির মৌসুমে আমার ৮ লাখ টাকার মাছ বিক্রির লক্ষ্য ছিল। কিন্তু বন্যার পানিতে আমার স্বপ্ন ভেসে গেছে," তিনি বলেন।
নোয়াখালী সদর উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা মানস মণ্ডল জানান, উপজেলার প্রায় ১৫,২৯৮টি মৎস্য খামারের মাছ ভেসে গেছে।
এদিকে, সুবর্ণচর উপজেলার মৎস্য কর্মকর্তা ফয়জুর রহমান জানান, বন্যায় ১ কোটি ৩৫ লাখ টাকার মাছ ভেসে গেছে।
নোয়াখালী জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. ইকবাল হোসেন জানান, চলমান বন্যায় মৎস্য সম্পদের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। বন্যা পরিস্থিতির পর ক্ষয়ক্ষতি আরও বাড়তে পারে।
বন্যাকবলিত ক্ষতিগ্রস্তদের সাহায্যের জন্য মৎস্য অধিদপ্তরে একটি চিঠি পাঠানো হয়েছে। অর্থ বরাদ্দ পেলে তা ক্ষতিগ্রস্তদের মধ্যে বিতরণ করা হবে বলেও তিনি জানান।
0 Comments