Hot Posts

6/recent/ticker-posts

স্বাভাবিক হচ্ছে হাসপাতালের চিকিৎসাসেবা

 দুই দিন সীমিত পরিসরে চিকিৎসাসেবা প্রদানের পর, আগামীকাল বুধবার থেকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল (ডিএমসি) এবং দেশের অন্যান্য সকল হাসপাতালে পূর্ণোদ্যমে চিকিৎসাসেবা চালু হবে। আজ মঙ্গলবার সন্ধ্যায় ডিএমসির আন্দোলনরত চিকিৎসকরা এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান।




দুই দিন সীমিত পরিসরে চিকিৎসাসেবা প্রদানের পর, আগামীকাল বুধবার থেকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল (ডিএমসি) এবং দেশের অন্যান্য সকল হাসপাতালে পূর্ণোদ্যমে চিকিৎসাসেবা চালু হবে। আজ মঙ্গলবার সন্ধ্যায় ডিএমসির আন্দোলনরত চিকিৎসকরা এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান।

abdul ahad resident surgeon of neurosurgery department of dmchছবি - ডেইলি স্টার

ডিএমসির নিউরোসার্জারি বিভাগের আবাসিক সার্জন আব্দুল আহাদ বলেন, “আমাদের দাবির প্রতি সরকারের দৃশ্যমান পদক্ষেপ এবং দেশের সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায়, আমরা সারাদেশের সকল হাসপাতালে পূর্ণাঙ্গ চিকিৎসাসেবা পুনরায় চালু করার ঘোষণা দিচ্ছি।”

তিনি আরও বলেন, “আগামীকাল (বুধবার) থেকে সকল হাসপাতালে পূর্ণোদ্যমে চিকিৎসাসেবা চলবে। নতুন করে কোন আন্দোলনের ঘোষণা দেওয়া হয়নি।”

“আমাদের দাবি অনুযায়ী, হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ চিকিৎসকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করেছে এবং চিকিৎসকদের ওপর হামলাকারীদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে।”

আন্দোলনরত চিকিৎসকরা আশা প্রকাশ করে বলেন যে তাদের দাবিগুলো শিগগিরই বাস্তবায়ন করা হবে এবং স্বাস্থ্যসেবা খাতের পরিবেশ আরও নিরাপদ হবে।

“স্বাস্থ্য পুলিশ গঠন এবং স্বাস্থ্য সুরক্ষা আইন সংস্কার- আমাদের দ্বিতীয় এবং তৃতীয় দাবি- নিয়ে স্বাস্থ্য সচিবের সঙ্গে আলোচনা হয়েছে। সচিব আমাদের আশ্বস্ত করেছেন যে তিনি যত দ্রুত সম্ভব এই দাবিগুলো বাস্তবায়নের জন্য কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করবেন।”

এ বিষয়ে একটি কমিটি গঠন করা হবে বলেও তিনি জানান।

ডিএমসির নিউরোসার্জারি বিভাগের আরেক আবাসিক সার্জন ইমাম হোসেন বলেন, মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে তাদের দাবি পূরণের আশ্বাস দেওয়ায় তারা তাদের প্রতিবাদ কর্মসূচি স্থগিত করেছেন।

আজ রাত থেকেই কি পূর্ণাঙ্গভাবে চিকিৎসাসেবা চালু হবে, এমন প্রশ্নের জবাবে ইমাম বলেন, “আমরা আজ সকাল থেকেই কাজে যোগ দিয়েছি। আগামীকাল থেকে হাসপাতালের সকল বিভাগে পূর্ণোদ্যমে চিকিৎসাসেবা চলবে। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের নেওয়া নিরাপত্তা ব্যবস্থায় আমরা সন্তুষ্ট।”

উল্লেখ্য, শনিবার ডিএমসির নিউরোসার্জারি বিভাগে কর্তব্যরত দুই চিকিৎসকের উপর হামলার পর রোববার সকাল থেকে চার দফা দাবিতে ধর্মঘট শুরু করেন চিকিৎসক ও মেডিকেল শিক্ষার্থীরা।

পরে, চিকিৎসক, নার্স, ইন্টার্ন এবং মেডিকেল শিক্ষার্থীরা সারাদেশে সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতালে ধর্মঘটের ডাক দেন।

তবে, বেশিরভাগ বেসরকারি এবং কিছু সরকারি হাসপাতালের সেবা প্রদানকারীরা এই ডাকে সাড়া দেয়নি।

দাবি পূরণের আশ্বাস পেয়ে রোববার রাত আটটার দিকে- ধর্মঘটের প্রায় ১০ ঘণ্টা পর- সীমিত পরিসরে কাজে ফিরে আসেন তারা। সোমবার এবং আজও সীমিত পরিসরে কাজ চলছিল।



Post a Comment

0 Comments

//]]>